////

জৈন্তাপুরের লাল শাপলা বিলের পানি শূন্য প্রশাসনের হেয়ালীপনায় মরছে শাপলা গাছ

12 mins read

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাওয়া লাল শাপলার বিল গুলো প্রজনন মৌসুমে পানি শূন্যতা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে শাপলা গাছ গুলো বংশ বৃদ্ধি করলে পানি না থাকার কারনে মরতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের হেয়ালীপনা ধ্বংস হচ্ছে বিল গুলো।
লাল শাপলা বিল ঘুরে যানাযায়, বিলের রাস্তা ও ব্রীজ নির্মানের জন্য ২মাস পূর্বে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে দায়সারা ভাবে বিলের নালা বন্দ করা হয়। নালাটি গত কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে ভেসে যায়। লাল শাপলা প্রজনন মৌসুমে পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। অতিতে কখনও এই বিলগুলোর পানি শুকানো হয়নি। সেপ্টেম্বর মাস হতে উপজেলার অন্যতম পর্যটন স্পটে জৈন্তাপুরের লাল শাপলার বিলে পর্যটকদের আনাগুনা বৃদ্ধিপায়। যদি বিল গুলোর পানি ধরে না রাখা হয় তাহলে লাল শাপলা আর দেখা মিলবে না বিল গুলোতে।
সচেতন মহল বলছে উপজেলা প্রশাসনের হেয়ালীপনায় কারনে বিল গুলোর উন্নয়নের নামে মুলত বিলের মাছ লুট করা হয়েছে। নালা কেটে পানি শুকিয়ে তা বন্দ না করে দায় সারা ভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। বিলের জমি দখলে নেওয়ার লক্ষ্যে বিলের নালা ছেড়ে রাখা হয়েছে, কারেন্ট জ্বাল দিয়ে মাছ নির্ধন করা হচ্ছে, চোরাকারবারের রাস্তা মুক্ত রাখতে সুপরিকল্পিত ভাবে জৈন্তাপুরের লালা শাপলার প্রজনন মৌসুমে বিল গুলোর পানি শূন্যতার সৃষ্টি করা হয়েছে। বিল গুলোতে পানি না থাকার লাল শাপলার চারা গাছ গুলো মরে যাচ্ছে। বিল গুলোতে নির্বিচারে কয়েক শতাধিক নিষিদ্ধ কারেন্ট জ্বাল ব্যবহার করে বিলে মাছ আহরন চলছে। বিল গুলোতে মহিষ ছেড়ে দিয়ে লাল শাপলা চারা নষ্ট করা হচ্ছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে বস্তা কিংবা নেট ব্যবহার করে কেন্দ্রী বিল, ইয়ামবিলের নালা বন্ধ করে পানি আটক করার দাবী জানান। পানি আটক না করা হলে ২/১ সপ্তাহের মধ্যে পুরো বিল গুলোর শাপলা মরে যাবে। মাছ নির্ধন ও অবৈধ কারেন্ট জ্বাল ও মহিষ বন্দ না করা হয় তাহলে লাল শাপলা বিলে আর লাল শাপলাই থাকবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত আজমেরী হক জানান, বাঁধ গুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করা হবে। অন্যান্য বিষয় গুলো তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

x
English version