
পঁচা গরুর মাংস বিক্রির প্রমান মেলায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেলের উপস্থিতে মাংস বিক্রির দোকানে সিলগালা করে দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৭মে) বেলা ১১টার দিকে অভিযোগকারীদের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম রাসেল ওই দোকানে গেলে দোকানদার আরোজ আলী ও তার সহকর্মীরা আগেই পালিয়ে যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল জানান, জীবননগর পৌর এলাকার জানু শাহার ছেলে আরোজ আলীর (৪০) দোকান থেকে একই উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর গ্রামের রহমানের ছেলে বাদল ১৩ কেজি গরুর মাংস কিনে বাড়ি নিয়ে যায়। বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরে মাংস পঁচা দেখে তিনি ফেরত নিয়ে আসে। এতে মাংস বিক্রেতা আরোজ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে বাদল ও তার স্ত্রী রেশমা খাতুনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও মারধরের চেষ্টা করে। পরে নিরুপায় হয়ে তারা তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ করলে, ওই মাংস যে পঁচা তার প্রমান মেলে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাংসের দোকানে উপস্থিত হলে তার আগেই পঁচা মাংস বিক্রেতা আরোজ আলী ও তার সহকর্মীরা দোকান ছেড়ে পালিয়ে যায়। সেখানে অবস্থান করার সময় পর্যন্ত তারা উপস্থিত না হলে মাংস বিক্রির দোকান সিলগালা করে জনসমক্ষে পঁচা মাংসগুলো নষ্ট করে দেয়া হয়।