
বাগেরহাটের রামপালে ভাগা বাজারে দুই দফায় সংঘর্ষে আহত ১৫, বিএনপি অফিসসহ দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ।
বাগেরহাটের রামপালে মৎস্য ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই দফায় অন্তত ১৫ জন রক্তাক্ত জখম ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এসময় ভাগা বাজারে বিএনপির অফিস, কাঁকড়া ডিপো , বিকাশের দোকান, চায়ের দোকানসহ ভেটের্নারী ঔষধের দোকান ভাংচুর ও টাকা লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই বিএনপি সমর্থক।
প্রথমে শনিবার (২ মে) রাত ৯ টায় উপজেলা ভাগা বাজার এলাকায় এ ঘটনায় বিএনপির উভয়পক্ষের ১৪ জন আহত হয়। দ্বিতীয় দফায় রোববার (৩ মে) সকালে একজনের উপর হামলা করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে ও পুলিশের তথ্যমতে জানা গেছে, শনিবার রাতে বিবাদমান মৎস্যঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ব্যাক্তিকে ধরে এনে ভাগায় বিএনপির অফিসে এনে রাখা হয়। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলের যাওয়ার পূর্বে বহিরাগত কয়েকজন ব্যাক্তি আটক ব্যাক্তিদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আকবর হোসেন আকো জানান,প্রতিপক্ষের হামলায়, ওই সময় আমি আকবর হোসেন আকো (৫৫), মাসুদ শেখ (৩৮), খোকন শেখ (৩৬), কামরুল শেখ (৪০), শামীম শেখ (৩২), জাহিদ শেখ (৩৫), হানিফা শেখ (৪০) ও সেকেন শেখ (৪৫) আহত হই। এদের মধ্যে মাসুদ ও খোকন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
অপর পক্ষের কামাল হোসেন জানান, তাদের দুইজন লোক আটক করেছে শুনে ভাগা বাজারে গেলে প্রতিপক্ষরা আব্বাস শেখ (৪৫), কামাল হোসেন (৩০), সোহাগ শেখ (২০), সাগর শেখ (২০), রাজু শেখ (৪৫), ওসমান শেখ (৪১), ইসলাম শেখ (৩০) মারপিট করে গুরুতর আহত করা হয় ।
এ ঘটনার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, শতাধিক লোকজন হামলায় বিএনপি অফিসসহ বিভিন্ন দোকান ভাংচুর, লটপাট ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম জানান, ভাগার ঘটনায় আমি সেখানে যাইনি বা ছিলাম না। কিন্তু আমার বাড়ীর সামনে এসে ভয়ভীতি, গালাগাল ও হুমকি প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত বিশ্বাস জানান, ভাগার সংঘর্ষের ঘটনার থানায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ নতুন করা হয়েছে।