

সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও ইমদাদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের চুরি হওয়া ৭ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ। খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি মো. খালেদ চৌধুরী।
এদিকে চুরি হওয়া ল্যাপটপ বিক্রির সাথে জড়িত সিএনজি চালক ও দোকানীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হলেও এখনো অধরা রয়েছে চোর সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা।
গ্রেফতারকৃত সিএনজি চালক পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন বীরগাঁও গ্রামের জাহান নূর মিয়ার ছেলে জামিল আহমদ ও দোকানি মহিনুর ইসলাম অনিক বাহ্মনগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে।
জানা যায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি শান্তিগঞ্জ থানাধীন পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও ইমদাদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের ফটকের তালা ভেঙ্গে ল্যাবের ৭ টি ল্যাপটপ চুরি করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় ১১ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাতনামা একাধিক আসামি করে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ মিয়া।
মামলা রুজুর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্ দিক নির্দেশনায় জগন্নাথপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুভাশীষ ধর ও শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ফোর্সের নেতৃত্বে পৃথক দুটি টিম রাতভর অভিযান করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ম্যানুয়েল ইন্টিলিজেন্সের সহায়তায় ৭ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করে ও বিক্রির সাথে জড়িত মহিনুর ইসলাম অনিক ও জামিল আহমেদে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, ইলেক্ট্রনিক পণ্যের দোকানী মহিনুরের দোকানে কয়েকজন যুবক চালক জামিলের সিএনজিতে একটি ল্যাপটপ বিক্রি করতে আসেন। বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে সন্দেহ মনে হলে পুলিশকে খবর দিলে ল্যাপটপসহ সিএনজি চালক জামিল ও দোকানী মহিনুরকে আটক করে পুলিশ। এসময় অন্যান্য যুবকরা পালিয়ে যায়।
আটককৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে বাকি ল্যাপটপ উদ্ধার করে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার পুলিশ। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে চুরির সাথে বীরগাঁও গ্রামের রিমান হক নামের এক মাদকসেবিসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
চুরির ঘটনার ধৃত আসামীগণ পলাতক রয়েছে। চুরি সাথে সহযোগিতা করায় আটককৃত দুইজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
চুরি হওয়া ৭ ল্যাপটপ উদ্ধারের সত্যতা জানিয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদ মিয়া বলেন, পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশে দ্রুত সময়ের চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছি। সহযোগিতাকারী দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চোর চক্রকে গ্রেফতারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।