

জৈন্তাপুর উপজেলার আলু বাগান এবং পাথর ক্রাসিং জোনের পাশ্ববতী এলাকায় সরজমিনে গেলে নানাবিধ একগুচ্ছে সমস্যাকে সামনে উপস্থাপন করে পাথর খোকু চক্র ৷ চক্রের কাজ হল কোন একটি বিষয়কে সকলের সম্মুখেই উপস্থাপন করে পাহাড় ও টিলা কর্তন করে গভীর গর্ত করে পাথর আহরণ করতে হবে ৷
অতি সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাটের অভিযানের পর নানা ইস্যুকে সামনে রেখে পাথর উত্তোলনকারী চক্র কৌশল অবলম্বন করে ধারাবাহিক ভাবে পাথর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে ৷
সরজমিনে গিয়ে আলুবাগান এলাকার সিলেট তামাবিল মহাসড়কের সন্নিকটে পুকুর বা ফিসারী খননের নামে চলছে পাথর উত্তোলন, বাড়ীর বাগানের গাছ ভাল হচ্ছে না মর্মে গর্তকরে পাথর উত্তোলন, রির্সোটে পানি সরবরাহের জন্য কুয়া খননের নামে পাথর উত্তােলন ৷ এভাবে আলুবাগান মোকামবাড়ী ও পাথর ক্রাশিং জোনের সন্নিকটে হরদম চলছে পাথর উত্তোলন ৷ এককথায় নানামুখি অযুহাত তৈরী করে পাথর উত্তোলনই মূল টার্গেট ৷

অপরদিকে বসে নেই জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্যাট একের পর এক অভিযান অব্যাহত রেখেই যাচ্ছেন ৷ পাথরখেকুরা যতই কৌশল অবলম্বন করছে উপজেলা প্রশাসন অভিযান অব্যাহত রেখেছে ৷


