

সরকারের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বলেছেন সরকার সব সময়ই শ্রমিকের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। শ্রমিকের কর্মস্থান বন্ধ নয়, বরং শ্রমিকের সৃষ্টির জন্য কাজ করে সরকার।
বর্তমান সরকারের আমলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সরকার শ্রমিকদের পাশে দাড়িয়েছে। জাফলং পাথর কোয়ারীতে বারকি শ্রমিকদের কাজ বন্ধের পক্ষে সরকার নেই, আমিও কখনো শ্রমিকের বিরুদ্ধে নাই। সনাতন পদ্ধতি অবলম্বন করে কার্যক্রম বন্ধে কোনদিন সরকার বাধা দেয়নি। জাফলং পাথর কোয়ারী কারা শ্রমিকদের ভূল ম্যাসাজ দিচ্ছে?
আজকের এই উদ্ধুদ্ধ পরিস্থিতির সাথে যারা জড়িত তারা কারা? তাদের থেকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এদেরকে চিনে রাখবেন এবং নির্বাচনের সময় আপনারা তার উচিত জবাব দিবেন। তিনি শনিবার বেলা ২টায় জাফলং মামার দোকান পয়েন্ট কর্মহীন সমবেত বারকি শ্রমিকদের সাথে দেখা করে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ভাষ্যমতে কোয়ারীতে কাজ করতে গিয়ে কোন বারকি শ্রমিক যেহেতু চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেনা সেহেতু ভূল তথ্য দিয়ে যারা এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে নির্বাচনের সময় আপনারা এদেরকে জবাব দিবেন।
জাফলং বল্লাঘাট পাথর উত্তোলন ও শ্রমিক বহুমুখী সমবায় সমিতির উদ্যোগে সভাপতি সিরাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও জাফলং ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ মিয়ার পরিচালনায় মামার দোকান পয়েন্ট সড়ক অবরোধ ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলো জাফলং পাথর কোয়ারীতে জীবিকা নির্বাহে জড়িত ১০টি সংগঠনের কয়েক সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সদস্যরা।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি জেলা ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় অত্রাঞ্চলের গুটিকয়েক জনপ্রতিনিধি জাফলং পাথর কোয়ারীতে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনে চাঁদাবাজির মনগড়া অভিযোগ আনলে প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের তরফে সম্পূর্ণরুপে কোয়ারীর সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে কয়েক হাজার পাথর ও বালু শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। অনাহার অর্ধ্বাহারে দিনাতিপাত করা এসব বারকি শ্রমিকরা প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগের কারণে ফুঁসে ওঠে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে এবং এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সরকারের প্রবাসীকল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি জাফলংয়ের কর্মসূচিতে যাবার পথে মামার দোকান পয়েন্টে পেয়ে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।


