
সিলেট জেলার অপরাধ দমন, আসামি গ্রেফতার ও জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ, সিলেট নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া খুন, ধর্ষণ, চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী ও অপহরণকারী গ্রেফতরে জেলা পুলিশ সিলেট সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে।
গত ২৭ মে সকাল ১০টায় গোয়াইনঘাট থানাধীন রুস্তুমপুর ইউনিয়নের উপরগ্রামের মো. ফয়জুদ্দিনের ছেলে শাহজাহান তার বাড়ি হতে নিখোঁজ হয়। শাহজাহানকে কোথাও না পেয়ে তার পিতা গোয়াইনঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। উক্ত ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় জনমনে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
ভিকটিমের পিতা কর্তৃক সাধারণ ডায়েরি প্রাপ্ত হয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ভিকটিম উদ্ধারে তৎপর হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের একটি চৌকাস দল হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার সর্দারপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী মমতা বেগম (৪৫), এর হেফাজত হতে ভিকটিম শাহজাহানকে উদ্ধার করা হয়। এসময় মমতা বেগম (৪৫)কে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী জাফর নামক জৈনক ব্যক্তি নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে ভিকটিম শাহজাহানকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সে নিজেকে অসহায় ও অনাথ পরিচয় দিয়ে ভিকটিমের পিতার বাড়িতে অবস্থান নেয়।
প্রায় ২০ দিন ভিকটিমের পিতার বাড়িতে অবস্থান করে আসামি জাফর বিশ্বাস অর্জন করে এবং অপহরণের সুযোগ সন্ধান করতে থাকে। গত ২৭ মে আসামি জাফর সুযোগ বুঝে ভিকটিমকে অপহরণ করে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে নিয়ে ধৃত আসামি মমতা বেগমের কাছে ১৫হাজার টাকায় বিক্রি করে পালিয়ে যায়।
পলাতক আসামি জাফরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেন সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা শ্যামল বনিক।


