

সিলেটের জৈন্তাপুরে ছোটারী সেনগ্রামের বিল নিয়ে ২টি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে বেশ কিছু দিন হতে। বিলকে কেন্দ্র করে ২টি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন কাওছার আহমদ(২৫), জুবেল আহমদ(২৩), লোকমান আহমদ(৩০), রহিম উদ্দিন(৩২), আব্দুল করিম(৩৪), আলা উদ্দিন(৪০), তোতা মিয়া(৪০), নিজাম উদ্দিন(৩৪), কলিম উল্লাহ(৪৫), আব্দুর রহমান(৩৬), মরিয়াম বেগম(৩৪), মো: আব্দুল্লাহ(৩৩), নূরুল হক(৩৭), আলকাছ আলী(৩৪), হোসেন মিয়া(৪২), সাইফুল আলম(৩২), আব্দুন নুর(৩৬), আলী আহমদ(৩৪)। তাৎক্ষনিক ভাবে অন্য আহতদের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয় নাই।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিলকে কেন্দ্র করে ছোটারী সেনগ্রামের খালিক ও হানিফের মধ্যে বিল নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুটি গ্রুপের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেককেই জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অপরদিকে সংঘর্ষের সংবাদপেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের টিম ও দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার নেতৃত্বে স্থানীয় গণ্যমান্যদের সহয়তায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। তবে বিলকে কেন্দ্র করে ছোটারী সেনগ্রামে দুগ্রুপের মধ্যে আতংঙ্ক বিরাজ করছে।

এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। উভয় গ্রুপের পক্ষ হতে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে বিলকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘাটনায় সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ উভয় পক্ষের আহতদের দেখতে এবং সুচিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে স্থানীয় ময়-মুরব্বীদের সহায়তায় বড় ধরনের দূর্ঘটনার হাত হতে উভয়পক্ষকে শান্ত করেছি। আহতদের উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করি।




হ
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে দ্রুত পুলিশের টিম ঘাটনাস্থলে পৌছে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গন্যমান্যদের নিয়ে দুটি গ্রুপেকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আহতদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


