

তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদীতে কয়লা পরিবহনকারী নৌকা থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। গত সোমবার মল্লিক মিয়া নামে এক কয়লা ব্যবসায়ি সুনামগঞ্জ আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় আসামীরা হলেন, উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের দুধের আউটা গ্রামের ফেয়ার আলীর ছেলে সাবজল হোসেন(২৮), তরং গ্রামের আবু জাহান(২৭), জয়পুর গ্রামের আহমেদ কবির(৩৬), বাদশা মিয়া(২৬)।
মামলার সূত্রে জানা যায়, মামলার আসামীরা সীমান্ত এলাকায় চাঁদাবাজ হিসাবে চিহ্নিত। বড়ছড়া-চারাগাঁও এবং বাগলী শুল্ক ষ্টেশন থেকে কয়লা ও চুনাপাথর নৌকায় করে নেওয়ার পথে চক্ররা রাত জেগে পাটলাই নদীতে নৌকা আটকিয়ে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে। ধারাবাহিকতায় গত ২৬নভেম্বর শনিবার ভোরে পাঠাবুকা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পাটলাই নদীতে ২০মেট্রিক টন কয়লা পরিবহনকারি নৌকা আটকিয়ে একলক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে চাঁদাবাজ চক্ররা। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে নৌকার মাঝিদের মারপিট করে তাদের নিকট থেকে নগদ ৩০হাজার টাকা, মালের বৈধ চালান ও কাস্টম চালানের কপি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় চাঁদাবাজর।
অভিযুক্ত আহমেদ কবীর বলেন, আমরা নদীতে কোন চাঁদাবাজি করি না, তবে পুলিশকে সহযোগিতা করি। অপর অভিযুক্ত সাবজল হোসেনের মোবাইলে কথা বলতে চাইলে সে কথা বলতে রাজি হয়নি।
মামলার বাদী মল্লিক মিয়া বলেন, নামাঙ্কিত বিবাদীরা এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ। এরা একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজি করে আসছে। চাঁদা না দিলে ব্যবসায়ীদের মারধর করে এবং নৌকাতে থাকা থালাবাসন ও রান্না করা খাবার পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইফতেখার হোসেন বলেন, আদালতে একটি মামলা হয়েছে শুনেছি। মামলার আবেদন এখনো থানায় আসেনি। আবেদন পাওয়ার পর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


