

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের শিয়ালা হাওর ও লক্ষীহাওর (জলুরমুখ) গ্রামবাসীর মাঝে স্থানীয় দীঘল কুড়ি জলমহাল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
দুই গ্রামবাসীর বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) দীঘল কুড়ি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিলুর রহমান৷ গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম, নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কামরুল হাসান আমিরুল, সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, সালুটিকর ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন, সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই জহিরুল ইসলাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুভাস চন্দ্র পাল ছানা, নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ এরশাদ আলী, দশরত সরকার সহ উভয় গ্রামের শতাধিক লোক।
সরেজমিন পরিদর্শন কালে বিরোধ পূর্ণ দীঘল কুড়ি জলমহালের বৈধ মালিকানা বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিলুর রহমান ও গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম উভয় গ্রামবাসীর নিকট প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদী চাইলে উভয় পক্ষই নিজেদের স্বপক্ষে মালিকানা দেখাতে পারেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বিরোধ পূর্ণ দীঘল কুড়ি জলমহালটি জব্দ করেন৷ উভয় গ্রামবাসী অবৈধ ভাবে দীঘল কুড়ি জলমহালে অনাধিকার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাহমিলুর রহমান বলেন, নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের শিয়ালা হাওর ও লক্ষীহাওর (জলুরমুখ) গ্রামবাসীর মাঝে স্থানীয় দীঘল কুড়ি জলমহাল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। কিন্তু পূর্ণ দীঘল কুড়ি জলমহালটি সরেজমিন পরিদর্শন করে গ্রামবাসীর কাছে বৈধ মালিকানার কাগজ পত্র পাওয়া যায়নি। ফলে বিরোধ পূর্ণ দীঘল কুড়ি জলমহালটি সাময়িক জব্দ করা হয় এবং নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। উভয়পক্ষ মালিকানা বিষয়ে বৈধ কাজপত্র পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান ৷


