

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি ::
গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের লামাদুমকা গ্রামের মৃত কনু মিয়ার পুত্র নঈম উদ্দিন। এলাকার মাঝে তীর সম্রাট হিসেবে খ্যাত নাঈম এখন গোয়াইনঘাটে তীরের অন্যতম এজেন্ট। রাতদিন তীর খেলা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে সে। ইউনিয়নের হাকুরবাজারে প্রকাশ্যেই শিলং তীর খেলার টোকেন বিক্রি করে নঈমুদ্দিন। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার পাড়া মহল্লায় নঈমুদ্দিনের রয়েছে নিজস্ব মহরি। তারা বিভিন্ন স্থানেবসে নিরাপদে খেলার নাম্বার টুকন বিক্রয় করছেন। ছড়িয়ে দিচ্ছেন এই ভয়ঙ্কর তীর নামক জুয়া।

তীর”ই শেষ নয়। ডৌবাড়ী ইউনিয়নের হাকুর বাজার, ডৌবাড়ী বাজার,তেলিখাল বাজার সহ বেশ কয়েকটি স্পটে বসে জুয়ার বোর্ড। আর এই জুয়ার বোর্ডের মালিক হচ্ছে নঈম উদ্দিন এবং যাত্রাভা গ্রামের মৃত লতিফ মিয়ার ছেলে জলাল। প্রতিদিন দল বেঁধে এই জুয়ার বোর্ডে লাভের আসায় প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। লাভতো দূরের কথা প্রতিনিয়ত এসব খেলে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলার সর্বত্রই ভয়াবহরূপ ধারণ করেছে ভারতীয় শিলং তীর নামক জুয়া খেলা। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে প্রকাশ্যেই চলছে শিলং
তীর নামক জুয়া খেলা। মরণঘাতি তীর নামক জুয়া খেলা যুবসমাজকে ধংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।
এলাকাবাসী বলছেন তীর সম্রাট নঈমুদ্দিনের কারনেই এলাকায় জোয়া মদপান সহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়েছে।জোয়া আর মদের সাথে জড়িয়ে এলাকার অনেক মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসেছেন। নইমুদ্দিনের এই তীর খেলা, জোয়া ও মদের আসর বন্ধ না করলে এলাকার পরিবেশ একেবারেই ধংশ হয়ে যাবে।

নঈমুদ্দিনকে গ্রেফতার করে এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং যুবক শ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষকে মুক্ত করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।


