//

জৈন্তাপুরে দরবস্তে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের

14 mins read

জৈন্তাপুরের দরবস্ত বাজারে আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘাটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ সহ আর ৩০/৪০ জনকে আজ্ঞাত আসামী করে পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে যানাযায়, গত ১৮ জুলাই রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত বাজারে অভিযান পরিচালনা করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের টিম। তারা ১বৎসরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভ‚ক্ত পলাতক আসামী দরবস্ত ইউপির তেলিজুরী গ্রামের আব্দুল হাফিজের ছেলে আবু সুফিয়ান বাদশা (২৬) কে আটক করে।

পুলিশের নিকট ১বৎসরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর আক্রমণ করে চালায়। এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৪জনের নাম উল্লেখ এবং আরও অজ্ঞাত নামা ৩০/৪০জন উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। যাহার নং ১৩/১২০। মামলার আসামীরা হল গ্রেফতারকৃত তেলিজুরী গ্রামের আব্দুল হাফিজের ছেলে আবু সুফিয়ান বাদশা(২৬)। এছাড়া তার ভাই লোকমান হোসেন(২৮), চাল্লাইন গ্রামের বিল্লাল আহমদের ছেলে রাহেল আহমদ(২৫), শ্রীখেল গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে সাহেল আহমদ রানা(৩২), ডেমা গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে জুনেল আহমদ(২৬), পূর্ব গদ্দনা গ্রামের হোছেন আহমদের ছেলে রহিম উদ্দিন(২৮), সালমান উদ্দিন(৩০) ও কুতুব উদ্দিন(২৪), ডাইয়া গ্রামের আব্দুর রহমান লাল এর ছেলে নাছির উদ্দিন(৩০), ফান্দু গ্রামের ড্রাইভার আব্দুল মমিন(২৭), একই গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে কয়েছ আহমদ(৩৫), টেংরা গ্রামের আরজান আলীর ছেলে বশির আহমদ(৪৫), মহালীখলা গ্রামের মাসুক আহমদ(২৫), করগ্রামের মুহিবুর রহমান(৩০)।

মামলারবাদী জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের উপপুলিশ পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে দরবস্ত বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ১বৎসরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভ‚ক্ত পলাতক আসামী আবু সুফিয়ান বাদশাকে আটক করার পর পর বেআইনি জনতা দলবদ্ধ হয়ে বাদশাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং সরকারি দায়িত্ব পালনকরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে এই ঘটনায় আমি বাদী হয়ে জৈন্তাপুর থানায় লিখিত মামলা করেছি।

জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমেদ ঘটনার সত্যতাস্বীকার করে বলেন, কিছু কিছু এলাকায় আসামী ধরতে গেলে বেআইনি জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং আসামী ছিনেয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা কর। দরবস্ত বাজারে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে পুলিশ দক্ষতার সাথে আটককৃত আসামী থানায় নিয়ে আসতে সক্ষমহয়। সরকারি কর্তব্য কাজে বাঁধা দেওয়ার কারনে বেআইনি জনতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version