
জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি :: সিলেটের জৈন্তাপুরে রাতের আঁধারে তরমুজ ক্ষেত কাটর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১০ লক্ষাধীক টাকার ক্ষতির শিকার হয়েছেন কৃষক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দরবস্ত ইউনিয়নের ডাইয়া গ্রামের জামে মসজিদের মালিকানাধীন বেদু হাওরে ৫ বিঘা জমিতে চলতি মৌসুমে তরমুজ চাষ করেন একই গ্রামের কুষক মো. আহমদ আলী।
২০শে জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ২০শে জানুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে কোনো সময়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা পূর্ব শত্রুতা তার তরমুজ ক্ষেতে প্রবেশ করে প্রায় ৯০০ হতে ১হাজার ফুল ফল ধরা তরমুজ গাছ কেটে ফেলে। ফলে কৃষকের আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের ডাইয়া গ্রামের মৃত হরমুজ আলির ছেলে মো. আহমদ আলী (৫৩) বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ফসল বিনষ্টের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আহমদ আলী বলেন, “আমি একজন সাধারণ কৃষক। গত পাঁচ বছর ধরে বানিজ্যিক আকারে তরমুজ চাষ করে আসছি। চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে ধার-দেনা করে প্রথমবার ডাইয়া মসজিদের মালিকানাধীন বেদু হাওড়ে তরমুজ চাষ করেছি। রাতের আঁধারে আমার পুরো ক্ষেত কেটে শেষ করে দিয়েছে। আমার বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে গেলো। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শোয়েব আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তরমুজ ক্ষেতের পুরোটাই ক্ষতি হয়েছে, যা একজন কৃষকের জন্য বড় ধাক্কা।আহমেদ আলি একজন সফল তরমুজ চাষি। এই বাগানে ফুল ও ফল আসা শুরু হয়েছিলো। আগামী রমজান মাসে বাজারজাত শুরুর সম্ভাবনা ছিলো। কিন্তু দূর্বৃত্তরা সব স্বপ্ন ধ্বংস করে দিলো।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


