
আজ ২৮ জানুয়ারি রোজ বুধবার বেলা ১২ টা, গুলশান-১ নাভানা টাওয়ার হইতে বনানী কাঁচা বাজার পর্যন্ত ধানের শীষের ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেছে ১২ দলীয় জোটের নেতারা।
জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ডক্টর মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বলেছেন দেশের জনগণ ধানের শীষকেই বেছে নেবে,দেশের সকল নারী-পুরুষ-ছাত্র-তরুণ-যুবসমাজ সহ সর্বস্তরের জনগণের কাছে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিন দেশ গড়ার সুযোগ দিন। আমি দেশের সকল মানুষের কাছে বলতে চাই.. ‘ভোট দিলে ধানের শীষে দেশ গড়বো মিলে-মিশে।’ প্রযুক্তি নির্ভর যুব সমাজ গড়ে তুলতে দলের কর্ম পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে বলেন বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে আগামী দিনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। বেকারদের কর্মের ব্যবস্থা করা এটাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। জনগণ প্রচলিত রাজনীতির একটা পরিবর্তন চাইছে।
ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক লায়ন মোঃ ফারুক রহমান বলেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের ভিত্তিতে তারই পুত্র বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঢাকার এই ১৭ আসনে নির্বাচন করছে আপনারা তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং দেশকে আরও সমৃদ্ধশালী করতে তার হাতকে শক্তিশালী করবেন। ইনসাফের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং ৭১ ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।
জনগণের যে আকাক্সক্ষা এই আকাক্সক্ষা পূরণে আর প্রতিশ্রুতি নয়, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। এই কারণে প্রতিটি সেক্টরে পরিকল্পনাগুলো কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটা নিয়েই আমরা কাজ করছি। আজকের এই যুব সমাজের মাধ্যমে দেশের তরুণ যুবশক্তির কাছে আমার আবেদন, আপনারা বিএনপির জনমুখী গণমুখী কর্ম পরিকল্পনাগুলো দেশের সকলের সামনে, জনগণের সামনে তুলে ধরুন। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্রীয় পরিচালনার সুযোগ পেলে সামনের দিনে আমরা এই পরিকল্পনাগুলো পর্যায়ক্রমে ইনশাল্লাহ বাস্তবায়ন করব।

১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেন :: ‘জনসংখ্যাকে জনশক্তি করতে হবে।সাধারণভাবে একটা দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি যখন কর্মক্ষম শ্রমশক্তি থাকে সেটি হল কিন্তু ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বিবেচনা দেশের বর্তমান জনসংখ্যা দেশের উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। কারণ বয়সের হিসাবে আমাদের জনসংখ্যা অধিকাংশই কিন্তু কর্মক্ষম। শুধু এই জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে আমাদের কনভার্ট বা রূপান্তর করা প্রয়োজন। এ কারণেই বিএনপি মনে করে যে, দেশের জনসংখ্যাকে বিশেষ করে তরুণ এবং যুবশক্তিকে যদি কারিগরি নির্ভর শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলা যায় তাহলে বর্তমান জনসংখ্যা দেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে। দেশের এই কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে একদিকে যেমন প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় লক্ষ্য নিয়ে গড়ে তুলতে আমরা আগ্রহী ঠিক একই সঙ্গে তরুণ যুবকদের আগ্রহী একটি অংশকে খেলাধুলার পারদর্শিতা অর্জন করানো আমাদের প্রয়োজন।
জনগণের মাঝে আরো লিফলেট বিতরণ করেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এল ডি পির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ বাশার ,ইসলামী ঐক্য জোটের ভাইস প্রেসিডেন্ট শওকত আমীন, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মুহাম্মদ লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব ইমরুল কায়েস, ন্যাশনাল লেবার পার্টির দলীয় মুখপাত্র মোঃ শরিফুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর সভাপতি মাইদুল ইসলাম আসাদ প্রমুখ।


