

বাহুবলে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহতের ঘটনার ৩ দিনের মাথায় এজাহারভুক্ত আসামী শেকুল মিয়া (৩৩) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের রোকনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শেকুল মিয়া উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার পুত্র। বাহুবল মডেল থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) প্রজিত কুমার দাস গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উলেখ্য, উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর গ্রামের মৃত দেওয়ান আলীর পুত্র শহিদ মিয়ার বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে পূর্ব বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধের সূত্র ধরে বিবাদীরা বিভিন্ন সময় বাদী ও তার পরিবারের লোকজনকে হয়রানিসহ নানা রকমের হুমকি দিয়ে আসছিল।
শুক্রবার (০৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফুটবল বিশ্বকাপের ব্রাজিল-ক্রোয়েশিয়ার মধ্যেকার খেলা নিয়ে নিহত শহিদ মিয়ার পুত্র রোকন মিয়ার সাথে আসামী রুবেল মিয়ার তর্কাতর্কি ও বাকবিতন্ডা হয়। তাৎক্ষণিক বিষয়টি স্থানীয় লোকজন মিমাংসা করে দিলেও আসামীরা হুমকি-দামকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
পরদিন শনিবার (১০ ডিসেম্বার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহিদ মিয়া বাড়ির পাশ্ববর্তী কচুবিল হতে ধানের খড় মাথায় নিয়ে বাড়িতে আসার পথে তাকে একা পেয়ে ফজর মিয়া, গেদু মিয়া, আব্দুল ওয়াহাব সহ তাদের লোকজন অতর্কীত হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের ফিকলের আঘাতে মারাত্মক আহত হন শহিদ মিয়া। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) নিহত শহিদ মিয়ার ভাই মাসুক মিয়া বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উলেখ ও ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


