

নাটোরের গুরুদাসপুরে জনাব আলী (৬০) নামের এক কৃষকের বিশেষ অঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর মোল্লা পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রচুর রক্তক্ষরণে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর মোল্লা পাড়া মহল্লার প্রবাসী জাকির হোসেন গেদনের বাড়িতে দীর্ঘদিন কাজ করতো কৃষক জনাব আলী। রোববার সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ প্রবাসীর স্ত্রী নাছিমা বেগম (৫০) চিৎকার করতে থাকে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে গিয়ে দেখেন তার ঘরের মেঝেতে পরে আছে ওই কৃষক। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় কৃষককে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহত কৃষক জনাব আলী জানান, আমি প্রবাসীর স্ত্রী নাছিমা বেগমের কাছে ২ হাজার টাকা পেতাম। সেই টাকা দেওয়ার কথা বলে তাকে ওই সময় তার বাড়িতে ডেকে নেয়। তারপর কৌশলে বাড়িতে থাকা বটি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়।
প্রবাসীর স্ত্রী নাছিমা বেগম টাকার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, আমি আমার বাড়িতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ আমার রুমের পেছনের দরজা দিয়ে এসে জনাব তাকে জড়িয়ে ধরে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে শোকেসের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। ওই কাঁচ দিয়ে তাকে আঘাত করি।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মতিন বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে শোনার পর পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


