
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বাইনচাপড়া হাওর থেকে ভাসমান অবস্থায় আজ শনিবার (০১জুলাই) সকাল সাড়ে ছয়টার ;দিকে নাইয়ুম মিয়া নামের ১১বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৯জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের চামরদানী গ্রাম সংলগ্ন খালের পানিতে গোসল করতে গিয়ে ওই শিশুটি নিখোঁজ হয়। শিশুটি বাড়ি পাশের নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার অতিথপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের রেহান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় লোকজনদের বরাত দিয়ে মধ্যনগর থানা পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৮জুন) বিকেলে ওই শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের চামরদানী গ্রামে তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চামরদানী গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে ৮বছর বযসী খালাতো বোন নাদিয়া আক্তারের সঙ্গে ১১বছর বয়সী শিশু নাইয়ুম চামরাদানী গ্রাম সংলগ্ন খালে গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে খালের পানির প্রবল স্রোতে ওই দুজন শিশু পানিতে ভেসে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন নাদিয়াকে উদ্ধার করতে পারলেও নাইযুম নদীর পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন জাল ফেলে খোঁজাখোঁজি করলেও শিশুটির সন্ধ্যান পাননি।
শুক্রবার (৩০জুন) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে একদল ডুবুরি এসে নিখোঁজ হওয়া এলাকায় ওইদিন বিলেক পাঁচটার পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধার করার জন্য খোাঁজাখোঁজি করে ব্যর্থ হন।
শনিবার (১জুলাই) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার বাইনচাপড়া হাওরে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে মধ্যনগর থানায় নিয়ে আসা হয়।
মধ্যনগর থাার এসআই সৈয়দ গোলাম সারোয়ার বলেন, শনিবার সকালে উপজেলার বাইনচাপড়া হা্ওর থেকে ভাসমান অবস্থায় ওই শিশুটির লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন থানায় নিয়ে আসেন। লাশটির সূরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এই মৃত্যু নিয়ে পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশটি তার পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


