///

৭২ ঘন্টায় বিএনপির ৭৭৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার : রিজভী

12 mins read

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, গত ৭২ ঘন্টায় সারা দেশে বিএনপির ৭৭৬ জন নেতাকর্মীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘কো-অপারেটিভ ফ্যাসিজম’ রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। এক ধরনের দুর্ভাবনা থেকে স্বাধীন কণ্ঠস্বরকে নিবৃত্ত করতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা ও গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে।

শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, অর্থনৈতিক ধাক্কা ও দুঃশাসনের কষাঘাতে ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে বেসামাল হয়ে গেছে। সরকারবিরোধী হাওয়া প্রবল আকার ধারণ করছে। তাই ছলে-বলে কৌশলে ক্ষমতা ধরে রাখতে দেশজুড়ে পুলিশ-র‌্যাবকে দিয়ে তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে।

রিজভী আহমেদ বলেন, মিথ্যা ককটেল বিস্ফোরণ মামলা, কবর থেকে ককটেল বিস্ফোরণের মতো অভিযোগে হাস্যকর মামলাও দায়ের করা হচ্ছে।

অক্ষত গাড়ি কিন্তু মামলা দায়ের হচ্ছে ভাংচুরের, ছাত্রলীগ ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা মিছিল করে নিজেরা ককটেল ফাটিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মামলা করা হচ্ছে। কোনো ঘটনা না ঘটলেও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাদের বাদী করে মিথ্যা ককটেল বিস্ফোরণের মামলা দায়েরের ঘটনা ঘটছে সমানতালে।

রিজভী বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কারণ সোহওরাওয়ার্দী উদ্যান চার দিক থেকে ঘেরা একটা খাঁচার মতো, সেখানে নেতাকর্মীরা নিরাপদ মনে করছেন না।

নয়াপল্টনকেই তারা নিরাপদ মনে করছেন। সেজন্য সরকার বা পুলিশের পক্ষ থেকে যাই বলা হোক না কেন-বিএনপির সমাবেশ নয়াপল্টনেই হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এই সরকারের মর্জিমাফিক আর কিছুই হবে না। সরকারবিরোধী আন্দোলনের ঝড়ো হাওয়ায় তারা আর স্থির করতে পারবেন না। নতুন নতুন প্রহসন ও নাটক করে শেষ রক্ষা হবে না।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রচণ্ড রকম বাড়াবাড়ি করেছে বলেও দাবি করেন দলের এই মুখপাত্র।

তিনি বলেন, তিন দিন আগে থেকেই জনগণ সমাবেশের মূল মাঠে আসার জন্য চেষ্টা করলেও পুলিশ তাদের ঢুকতে দেয়নি এবং বিভিন্ন রকমের হয়রানি করেছে। তারপরও সমাবেশ স্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version