নোটিশ:
জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।
শিরোনাম :
সোনার দামে রেকর্ড, ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা ভরি জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ফয়েজ আহমদ বাবরের ২য় মৃত্যু বার্ষিকীতে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুরে শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ৮ আগষ্ট সোমবার জৈন্তাপুরের আলোচিত নিশাত হত্যাকান্ডের রায় প্রকাশ জৈন্তাপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ জৈন্তাপুরে ৩৫টি পাওয়ারজেল ও ৩৫টি ডেটোনেটর ধ্বংস করল, ১৭ পদাতিক ডিভিশনের বোমা বিষ্ফোরক দল ও পুলিশ জৈন্তাপুরে জেছিসের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত ছাতকে নাশকতার আংশকায় দুই জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে একট্রাক ভারতীয় কসমেট্রিক্স চালান আটকের মামলার প্রধান আসামী লোকমান আটক জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের নেতা বিভিন্ন মামলার আসামী শাহীন আলম গ্রেফতার
ইউএনও’র বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

ইউএনও’র বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক কলেজছাত্রী। বর্তমানে ওই ইউএনও কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে ওই ছাত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রতিকার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ এবং ইউএনওয়ের নামে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও কলেজ ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মনজুর হোসেন দায়িত্ব থাকাকালীন তার সাথে পরিচয় হয় ওই কলেজ ছাত্রীর। এক পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ওই কলেজ ছাত্রীকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তার বাসাইল সরকারী বাসভবনে নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষন করেন।

ইউএনও’র বিয়ের আশ্বাসে অন্যত্র বিয়ের সকল প্রস্তার নাখোশ করে দেন ওই কলেজ ছাত্রী ও তার পরিবার। এক পর্যায়ে ওই কলেজ ছাত্রী ও ইউএনও টাঙ্গাইল কুমুদিনী কলেজের সাথে পাওয়ার হাউজের পিছনে একটি বাসায় একত্রিত বসবাস শুরু করেন। সেখানে তারা দুই মাস বসবাস করার সময় একাধিকবার ধর্ষনের অভিযোগ করেন ওই কলেজছাত্রী। এক পর্যায়ে কলেজ ছাত্রী বিয়ের ও সামাজিক ভাবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য ইউএনওকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। পরবর্তীতে তারা দুজনে ভারত থেকে ঘুরে এসে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন৷

গত বছরের ২৪ শে সেপ্টেম্বর রাতে সরকারি (এসিল্যান্ডের ব্যবহৃত) গাড়িতে তার পরিচিত জোবায়েত হোসেন, গাড়ি চালক বুলবুল হোসেন ও দুই আনসারসহ বেনাপোলের উদ্দেশ্যে তারা রওনা হয়। ওই গাড়ি চালক ইউএনও, ওই কলেজ ছাত্রী ও জোবায়েতকে বেলাপোল সীমান্তে নামিয়ে দিয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে গত বছরের ১২ অক্টোবর তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এর পূর্বে ভারতে অবস্থান কালে ইউএনও একাধিকবার ওই কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ইউএনও মনজুর হোসেন ওই কলেজ ছাত্রীকে স্ত্রী মর্যাদা দেয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে ওই কলেজ ছাত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রী বলেন, ইউএনও মনজুর হোসেন আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করেছেন। মনজুর হোসেন বিবাহিত হয়েও তিনি অবিবাহিত পরিচয় দিয়েছেন। আমি সরল মনে তার কথা শুনে বিশ্বাস করেছি। তিনি শুধু আমাকে ব্যবহারই করেছেন, সামাজিক ভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দেননি। আমি আমার প্রাপ্য অধিকার চাই।

এ বিষয়ে কলেজ ছাত্রীর মা বলেন, ইউএনও আমার মেয়ের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা সামাজিক ভাবে অসহায় হয়ে পড়েছি। আমার মেয়ে কলেজে যেতে পারছেনা। আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে ইউএনও মনজুর হোসেন এর কাছে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এক পর্যায়ে ‘আমি দেখতেছি’ বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, ইউএনও মনজুর হোসেন বাসাইল থেকে চলে যাওয়ার পর আমাকে একদিন ফোন করে জানান, একটি মেয়ে আমার বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি আপনি একটু দেখেন। আমি ওই মেয়েটির সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি আইনের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুহানা নাসরিন বলেন, এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বলা যাবে কে দোষী, কে নয়।

প্লিজ সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Mission It Development ltd.
x
English version