

দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারকে আবার নির্বচিত করতে হবে : একেএম আব্দুল মোমেন
শহীদ আহমদ চৌধুরী ফেঞ্চুগঞ্জ একজন জন প্রতিনিধি কতটা জনবান্ধন হলে এতোটা কাজ পাগল হয়। আমি তার তাগিদেই এখানে এসেছি। সকালে এসে পৌছালে তিনি আমায় হাকালুকি হাওরে নিয়ে যান অবকাঠামো গত উন্নয়ন দেখাতে। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর ছিলেন বলেই এদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের ভাগ্যর পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু তাকে স্বপরিবারে হত্যা করে তা নস্যাৎ করে দেয় স্বাধীনতা বিরেধীরা। তারা তাকে ক্ষমতার বাহিরে রাখে ২১বছর। ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রথম রাস্ট্র ক্ষমতা এসেই কৃষকের কথা চিন্তা করে কৃষি ভূর্তিকি চালু করে সারের দাম কমিয়ে দেন।কার আওয়ামী লীগ কৃষি বান্ধব সরকার। তখন মাত্র ১৬ শো মেঘওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো আওয়ামীলীগ ক্ষমতা গ্রহনের পর সাড়ে চার বছরের মাথায় তা বাড়িয়ে ৪৩ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ। বর্তমানে বেড়ে দাড়িয়ে ২৫ হাজার মেগওয়ার্ট হয়েছে। বর্তমান সরকারের সাফল্য ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। আজকের বাংলাদেশ একটি উন্নত বাংলাদেশ। সোনার বাংলা গড়তে হলে সকলকে নিয়ে কাজ করতে হবে। উন্নয়নের রোড মডেল আজ বাংলাদেশ। ন্যায় ও সুবিচার প্রতিস্টার জন্য বাংলাদেশ সেই পথে হাঠছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেকদূর এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণ হবে। ইকোপার্ক নির্মানের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। উপজেলা পুকুর খনন বাস্তবায়ন করা হবে। জুড়ী নদীর উপর ব্রীজ নির্মান করার প্রক্রিয়া করা হচ্চে। হাকালুকি হাওরে যাওয়াার রাস্তার কাজ খুব শীঘ্র হবে। মন্ত্রী বলেন পর্যায় ক্রমে সকল রাস্তার কাজ করা হবে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে গুরুত্ব দিয়ে রাস্তার সকল কাজ হবে। ধারাবাহিক ভাবে সকল কাজ গুলো করা হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো তাজুল ইসলাম।
তিনি গতকাল শনিবার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সম্প্রসারিত ও প্রশাসনিক ভবন উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা গুলো বলেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শাহ মুজিবুর রহমান জকনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে এম আব্দুল মোমেন বলেন আজ আমার আনন্দের দিন, আমি ফেঞ্চুগঞ্জে এসেছি, আগামীতে রাস্তার ঘাট যাতে কম নদী ভাঙ্গন কম হয় সেজন্য আমি সকাল বেলা সুরমা ডেজিং খনন কাজ চালু করে এসেছি। গরীরের যাতে কষ্ট কম হয় সেজন্য দেড় কোটি পরিবার কে সস্তায় খাাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আমাদের দেশের মানুষ অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক ভাল আছে। মানুষ নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারছে, নিরাপদে চলাফেরা করতে পেরেছি। শেখ হাসিনার সরকার আমাদের দেশের দরিদ্র সীমা অর্ধেকে নেমে এসেছে। আপনাদের জন্য দেশের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার। অনান্য সরকারের সময় কি হয়েছে আপনাদের তা মনে আছে। প্রতিদিন ধর্ষণ সন্ত্রাষ দেশে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার সকারকে টিকিয়ে রাখলে আপনাদের জীবন মানের উন্নতি হবে। তার দায়িত্ব আপনাদের কে নিতে হবে। আপনাদের মঙ্গলের জন্য আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনারা কাকে আগামীতে ক্ষমতায় দেখতে চান। ২০৪১ সালে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। এটা সম্ভব সোনার বাংলা গড়তে হলে আমাদের সকল কে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই তা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে আর বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, তিনি বক্তব্য বলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি ইতিহাসের সাক্ষী আছে একটি কাইয়ার গুগাম , যা স্বাধীনতার এক জলন্ত সাক্ষী, স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী আপনি মানুষের জন্য কাজ করেন, আজ আপনাকে পেয়েছিে আপনি হাকালুকি হাওর দেখে এসেছেন, আপনি হাকালুকি হাওরে মানুষের ভ্রমনের জন্য একটি পার্কের ব্যবস্থা করে দিবেন। তিনি বালাগঞ্জেরে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন বালাগঞ্জে বড়ভাগা নদীর উপর সেতু, রত্না নদীর উপর সেতু, মজুদদারী সেতুর উপর উপর সেতু দ্রুত নির্মান চাই, আমার হাকালুকি হাওরের জিরো পয়েন্টে ইকো পার্ক চাই। গত বন্যয় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আমার নির্বাচনী এলাকা তাই আমার এলাকা গুরুত্ব দিয়ে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করার সূযোগ দিবেন এই দাবী আজ আমার ও আমার জনগনের।
অনুষ্ঠানে আর উপস্থিতি থেকে বক্তব্য রাখেন সচিব মো আব্দুল কাইয়ুম, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো মহসিন, পুলিশ সুপার মো আব্দুল্লাহ আল মামুন। বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মফুর, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগয়ের সাধারন সম্পাদক আব্দুল বাসিত টুটুল।
এতে আর উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোহিনি বেগম, আওয়ামী লীগয়ের সহ সভপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,মীর সাখাওত হোসেন তরু, ঘিলাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লেইছ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই খসরু,নজরুল ইসলাম মিফতার।এছাড়া ও তিন উপজেলার সর্বস্তরের নেতা কর্মী বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। সভাশেষে মন্ত্রী শাহজালাল সারকারখানা পরিদর্শন করেন।


