////

জৈন্তাপুরের বাংলাবাজার, আসামপাড়া ও আলুবাগান ধুলায় ধূসর পরিবেশ, নিবর সংশ্লিষ্ট প্রশাসন!

15 mins read

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার পাথর ক্রাসিং জোন হিসাবে পরিচিত চার নম্বার বাংলা বাজার, আসামপাড়া এবং আলুবাগান এলাকা। পাথর ক্রাশিংয়ে পরিবেশের বিভিন্ন শর্ত থাকলেও মানা হচ্ছে না শর্ত সমুহ। বিনষ্ট হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্ধারা। বিশেষ করে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা। আইন আছে প্রয়োগ নেই, তাই দেখার কেউ নেই ?

সরেজমিনে জৈন্তাপুর উপজেলার পাথর ক্রাসিং জোন হিসাবে পরিচিত চার নম্বার বাংলা বাজার, আসামপাড়া এবং আলুবাগান এলাকা ঘূরে দেখা যায় অত্র এলাকায় ছোট-বড় প্রায় শতাধিক পাথর ক্রাশিং মেশিন রয়েছে। পাথর ক্রাশিং করার সময় পরিবেশের শর্ত মোতাবেক ধূলো-বালু বন্দের জন্য পানি ব্যবহারের কথা থাকলেও মানা হচ্ছে না। যার কারনে প্রতিটি ক্রাসিং মেশিনে হচ্ছে নির্গত হচ্ছে ধুলো-বালি ও পাথরের ডাস্ট বাতাসের সহিত মিশে পুরো এলাকা ধুলোয় ধুসর হয়ে পড়েছে। গাছ-পালা, ঘর-বাড়ী, স্কুল কলেজ ও মসজিদ সমুহ পড়েছে ধুলোর আস্তরণ। এছাড়া স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাগামী ছাত্র-ছাত্রী সহ পথচারিরা মারত্মক ধুলোর আক্রমনের স্বীকার হচ্ছে। ধুলোর কারনে সর্দি, কাশি সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসারীরা জানান, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদুর রহমানের আমলে কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। এসময় সকল ব্যবসায়ীরা সকল শর্ত মেনে চলছেন। এরপর হতে অধ্যাবদি পর্যন্ত আর কোন অভিযান না হওয়ায় হাতে গুনা কয়েকজন ব্যবসায়ী ব্যাতীত অন্যরা পাথর ক্রাশিংয়ের সময় পানি ব্যবহার করছেন না। তারা আরও বলেন, পর্যাপ্ত পানি না থাকায় তারা পাথর ক্রাশিংয়ে ব্যবহার অসুবিধায় রয়েছেন। যার কারনে এখন পানি ছাড়াই ক্রাশিং মেশিন পরিচালনা করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন জানান, আইন আছে কিন্তু কার্যকর নেই। আইনের প্রয়োগ হলে পরিবেশ, প্রকৃতি টিক থাকবে। ব্যবসায়ীরা আইন মানতে বাধ্য হবে। কিন্তু সটিক ভাবে আইন প্রয়োগ না হওয়ার করনে এসব হচ্ছে। ফলে পরিবেশ ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। বাতাসে ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পাথর ক্রাশিংয়ের সময় শ্রমিকরা সুরক্ষিত নন, মানা হচ্ছেনা বিধি নিষেধ। আপনারা সটিক ভাবে বিষয়টি সংবাদ পত্রে তুলো ধরুন হয়ত সংশ্লিষ্টরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

এবিষয়ে পাথর ক্রাশিং মেশিন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবু সুফিয়ান বেলাল প্রতিবেদককে বলেন, আইন আছে কিন্তু মানা হচ্ছে না এটি পুরোপুরি সঠিক নয়। পানি ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিছু ব্যবসায়ীরা পানি ব্যবহারে গাফিলতি করছেন। শুকনো মৌসুম হওয়ায় কিছু ধুলো-বালি বাতাসে ছড়াচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version