///

জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে

15 mins read

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার প্রথম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এর ৫টি পদে লোকবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী নিয়োগ প্রার্থীরা।

অভিযোগ সূত্রে যানাযায়, বিগত ২৪ অক্টোবর জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দৈনিক সিলেটের ডাক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ৫টি পদে লোক নিয়োগের জন্য বিধি মোতাবেক বিজ্ঞপ্তী প্রকাশ করে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তী দেখে আমরা নিয়োগের জন্য আবেদন করি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে গত ১৭ জানুয়ারী ২৩ ইংরেজী তারিখে আমাদের নিয়োগ পরীক্ষর জন্য পত্র প্রেরণ করে। প্রার্থীরা যথা নিয়মে পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করে পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী তাদের গোপন চুক্তি মোতাবেক ৫টি পদে লোক মনোনয়ন করে। পরীক্ষায় যারা প্রথম স্থানে উর্ত্তীণ হলেও তাদেরকে নিয়োগ না নিয়ে পূর্বে মনোনিতদের নিয়োগ পরীক্ষার উর্ত্তীণ দেখিয়ে নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। উত্তীর্ণদের ফলাফল প্রকাশ না করে গোপনে মনোনিতদের নিয়োগ নিতে নাটক মঞ্চায়ন করেছেন মর্মে দাবী করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করেন অফিস সহায়ক কাম হিসাব সহকারী পদে মন্ত্রী মহোদয়ের নাম বিক্রয় করে কাম্য যোগ্যতা নেই এবং বয়স অতিরিক্ত প্রার্থীকে মনোনয়ন, নৈশ্য প্রহরী পদে জ্বাল সনদ তৈরী করে ম্যানোজিং কমিটির সভাপতির ভাতিজাকে মনোনয়ন করা হয় মর্মে দাবী করে এবং ভোক্তভোগীরা ম্যানোজিং কমিটির সভাপতির একটি অডিও ক্লিপ তুলে ধরেন।

তারা আরও বলেন আমরা সংশ্লিষ্ট মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, মহা-পরিচালক ও সচিব মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক সিলেট, উপজেলা চেয়ারম্যান জৈন্তাপুরর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জৈন্তাপুর, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জৈন্তাপুর বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি এবং অডিও ক্লিপ হস্তান্তর করেছি বলে প্রতিবেদকে জানান অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী লিপি রানী দাস ও বাদল দত্ত। তারা পুনরায় নিয়োগ বাতিল কিংবা পূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহনের দাবী জানান।

জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-এর ম্যানোজিং কমিটির সভাপতি মো. হায়দার আলী জানান, সটিক নিয়মে প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। কোন প্রকার ছল-ছাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়নি। আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দায়িত্বরত একাডেমিক সুপার ভাইজার আজিজুল হক খোকন বলেন, অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-বশিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক দেখা হতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x