

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধুর ৮ মাসের সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিচ্ছেদ হওয়ার পথে ৪ মাসের সংসার জীবন। ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে উপজেলার কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামে।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আত্বীয়তার সুবাধে পারিবারিক ভাবে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের আজমান আলীর ছেলে জুবেল মিয়া এবং কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের রঙ্গিলা মিয়ার মেয়ে রাকিয়া বেগমের মধ্যে বিবাহ হয় প্রায় ৪ মাস পুর্বে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারী নববধু রাকিয়া বেগমের পেটে ব্যথা অনুভব করলে শশুড় বাড়ির লোকজনকে জানালে স্বামীসহ শশুড় বাড়ির লোকজন তাকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার প্রসব ব্যথা শুরু হয়েছে মর্মে জানান।
ডাক্তারের কথা শুনে আর্চয্য হয়ে উঠেন শশুড় বাড়ির লোকজন। বিয়ে বয়স মাত্র ৪ মাস। এর মধ্যে সন্তান প্রসবের সম্ভাবনার ঘটনাটি তাদের হতবাক করেছে। সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকায় ৮ মাসের কন্যা সন্তান প্রসব হয় হাসপাতালে। শিশুর ওজন ছিল ২৪৯০ গ্রাম। লোক লজ্জার ভয় এড়াতে স্বামীর বাড়ির লোকজন হাসপাতালে মিষ্টি বিতরণ করেন।
পরদিন নববধুকে শিশু সন্তানসহ তার পিতার বাড়িতে নিয়ে রাকিয়ার বাড়ির লোকজনের কাছে মেয়েকে সমঝিয়ে দেয়া হয়। নবাগত সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে এলাকায় মূখরোচক আলোচনার ঝড় উঠেছে। তবে এ বিষয়ে রাকিয়া বেগম ও তার পরিবার মুখ খুলতে নারাজ।
স্বামী জুবেল মিয়া বলেন, রাকিয়ার পরিবার প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে তাদের গর্ভবতী মেয়েকে তার কাছে বিয়ে দিয়ে কলংক লেপন করেছে।
হাসপাতালের নার্স আফরোজা পারভীন বলেন, মেয়ে ব্যথা নিয়ে হাসপাতাল আসলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় তার একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান প্রসব হয়। ওই সময় শিশুটির ওজন ছিল ২৪৯০ গ্রাম।
এ ব্যাপারে রাকিয়া বেগমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি মুখ খুলতে নারাজ।
ওয়ার্ড মেম্বার জগৎ সিংহ জানান, ঘটনাটি শুনেছেন। বিস্তারিত এলাকার লোকজনের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নিবেন।

