

ওসমানীনগরে পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনায় ভাংচুর করা হয় একাধিক দোকান, মোটর সাইকেল ও সিএনজি অটোরিকশা। আতংক ছড়িয়ে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় সবধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে প্রায় ১ ঘন্টা। পরবর্তীতে পুলিশ প্রায় ১৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়ালাবাজারে শশারকান্দি গ্রামের এলাইছ মিয়ার ছেলে শিপন (২৮) ও করনসি গ্রামের সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে সৈয়দ আরক আলী (২৭) এর মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিপনকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে শিপনের পক্ষ দক্ষিণ গোয়ালাবাজার ও আরক আলীর পক্ষ করনসি রোডে অবস্থান নিয়ে পরস্পরের প্রতি কাঁচের বোতল ও ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে একাধিক পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে ৩ টি দোকান, ২ টি মোটর সাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিকশা। এসময় বাজারের মধ্যদিয়ে চলে যাওয়া সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সর্বত্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে রাত ৮ টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালায়। কিন্তু এসময় সংঘর্ষকারীরা পুলিশের দিকে ঢিল ছুঁড়তে শুরু করলে পরিস্থিতি আরও বেগতিক হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে দাঙ্গা পুলিশ প্রায় ১৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মাকছুদুল আমিন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশএসল্ট মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


