বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু

11 mins read

কয়লা ও পাথরের পর দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় লোহার খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কূপ খনন কাজের উদ্বোধন হয়।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লোহার খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ মহাপরিচালক আব্দুল বাকী খান মজলিশ কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
খনন কাজে নেতৃত্ব দেন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক (ড্রিলিং) মহিরুল ইসলাম। এর আগে উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে রাস্তার পাশে খনিটির অবস্থান চিহ্নিত করে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর।
দিনাজপুর-ফুলবাড়ী মহাসড়কের পাশে আমবাড়ি বাজারের পুরোনো গরু হাটির রাস্তার পাশে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর খনির অবস্থান চিহ্নিত করে স্থানটি সংরক্ষিত হিসেবে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ করে। খনিতে খনন কাজের জন্য সেখানে বেশ কিছু লোহার পাইপ আনা হয়। বসানো হয়েছে বড় বড় কয়েকটি যন্ত্র। সংরক্ষিত এলাকার ভেতরে কয়েকটি কূপ খনন করা হয়। শ্রমিকদের থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী টিনের ঘর।
মোস্তফাপুর ইউপির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান প্রামাণিক বলেন, লোহার খনি পাওয়া গেলে এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এলাকার মানুষের উন্নতি হবে। খনিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এটা আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। সেই সঙ্গে আমার দাবি থাকবে খনিতে কাজ করতে যে শ্রমিক নেওয়া হবে, তা যেন বাহির থেকে না এনে স্থানীয়দের দিয়ে কাজ করা হয়।
ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক আলী আকবর বলেন, ‘নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরিকের পুরুত্ব বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছি আমরা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে এসেছি। তবে আমাদের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২ এপ্রিল চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে খনির সন্ধানে ড্রিলিং খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে প্রায় এক মাস কার্যক্রম শেষে তা সমাপ্ত করে চলে যান ভূতত্ত্বের কর্মকর্তারা

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

x
English version