নোটিশ:
জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।
বিলাপ করে বিদায় নিতে হবে ট্রাম্পকে

বিলাপ করে বিদায় নিতে হবে ট্রাম্পকে

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার থামলে ভালো হয়। তাঁর দলের নেতাদেরও আর নিজের পক্ষে ধরে রাখতে পারছেন না তিনি। সিনেটের প্রভাবশালী নেতারাই এখন জো বাইডেনকে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন। ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের গণনার ফলাফল প্রকাশের পর অনেকেই নড়েচড়ে বসেছেন। যথেষ্ট হয়েছে, উল্লেখ করে তাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সামনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন। যদিও ট্রাম্প নিজে এখনো এ নিয়ে কিছু বলেননি। তিনি এখনো তাঁর পূর্ব ঘোষণায় অটল আছেন। ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে আবার কোনো জটলা পাকানোর চেষ্টা করছেন তিনি।

ট্রাম্পের ওপর বিরক্ত হয়ে দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান পল মিশেল দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মিশিগান থেকে নির্বাচিত দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান এই নেতা বলেছেন, দল নয়, দেশের সংবিধান বড়। রিপাবলিকান দল নজিরবিহীনভাবে রাজনৈতিক কারণে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে তৃতীয় বিশ্বের দেশের মতো প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বলে সমালোচনা করেন তিনি। কংগ্রেসম্যান পল মিশেল নিজেকে স্বতন্ত্র আইন প্রণেতা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

গতকাল সোমবারে ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারকে বিদায় করেছেন। নির্বাচনের পর ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার নিজেই বলেছিলেন, নির্বাচনে কারচুপির কোনো প্রমাণ তাঁদের কাছে নেই। এরপর থেকেই উইলিয়াম বারের প্রস্থান অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠে।

রিপাবলিকান সিনেটর রয় ব্লান্ট জো বাইডেনকে সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট–ইলেক্ট হিসেবে উল্লেখ করেন। রিপাবলিকান সিনেটর রব পোর্টম্যান বলেছেন, ইলেকটোরাল কলেজ পরিষ্কারভাবে জো বাইডেনকে নির্বাচিত করেছে। অপর রিপাবলিকান সিনেটর শেলি ক্যাপিটো এবং মাইক রাউন্ডস বলেছেন, ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের পর জো বাইডেনই প্রেসিডেন্ট–ইলেক্ট

ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার এক টুইট বার্তায় বলেন, তাঁর সঙ্গে উইলিয়াম বারের সুন্দর একটা বৈঠক হয়েছে। বড়দিনের আগেই অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে বারের পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়ে ট্রাম্প ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ রোজেনকে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

সোমবার রাত থেকেই সিনেটে রিপাবলিকান দলের নেতাদের অবস্থান পাল্টাতে শুরু করেছে। সিনেটে রিপাবলিকান দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হুইপ সিনেটর জন থানে বলেছেন, সব শেষে আমাদের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের পর সবাইকে সামনে

রিপাবলিকান সিনেটর রয় ব্লান্ট জো বাইডেনকে সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট–ইলেক্ট হিসেবে উল্লেখ করেন। রিপাবলিকান সিনেটর রব পোর্টম্যান বলেছেন, ইলেকটোরাল কলেজ পরিষ্কারভাবে জো বাইডেনকে নির্বাচিত করেছে। অপর রিপাবলিকান সিনেটর শেলি ক্যাপিটো এবং মাইক রাউন্ডস বলেছেন, ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের পর জো বাইডেনই প্রেসিডেন্ট–ইলেক্ট।

ইলেকটোরাল কলেজে ভোটের আনুষ্ঠানিকতার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। যদিও বিভিন্ন মহল থেকে তাঁকে পরাজয় স্বীকার করে জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।

প্রভাবশালী পত্রিকা দা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ট্রাম্পের প্রতি পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল সোমবারের সংখ্যায় প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকাটি এমন আহ্বান জানায়।

নির্বাচনের ফলাফল তাঁর বিপক্ষে যাওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প ভোট কারচুপির অভিযোগ করে আসছেন। তাঁর তিন ডজনের বেশি মামলা বিভিন্ন আদালতে খারিজ হয়েছে। সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্টেও চার রাজ্যের ভোটের অনিয়ম নিয়ে মামলা এক বাক্যে বাতিল হয়ে যায়। কোথাও নির্বাচন কারচুপির কোনো প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করতে পারেননি।

ট্রাম্প অভিযোগ করছেন, কোথাও তাঁর অভিযোগ নিয়ে শুনানি করারও সুযোগ দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কেন সুপ্রিম কোর্টের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছেন না, এ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার সব প্রয়াসই থমকে যাওয়ার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প পরাজয় মেনে নিচ্ছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন আর কখনো ঘটেনি। অপেক্ষা করছেন ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের যৌথ সভায় নিজের দলের শতাধিক আইন প্রণেতাদের দিয়ে নজিরবিহীন কিছু করার করার।

কোথাও কেউ তাঁর এমন প্রয়াসে সাড়া না দিলেও ট্রাম্প নির্বাচনে কারচুপির ভুয়া দাবি থেকে সরে আসছেন না। তিনি আগেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি কখনো পরাজয় মানবেন না। প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের অভিষেকে তিনি উপস্থিত থাকবেন কিনা, এ নিয়ে কোনো আলাপ করতেও রাজি নন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত বিলাপ করেই তাঁকে বিদায় নিতে হবে বলে মনে করছে মার্কিন জনগণ।

প্লিজ সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Log In

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Mission It Development ltd.
English version