//

বিশ্বনাথে মৃতদেহের কঙ্কাল উদ্ধার

12 mins read

বিশ্বনাথ হতে কবর স্থানের ঝোপঝাড় হতে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ ৷

পুলিশ সূত্র জানায় শনিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ১২ টায় বিশ্বনাথ থানার দেওকলস ইউনিয়নের রাজার বাজার পশ্চিম পাশের কবরস্থানের একটি শেওড়া (হেওরা) গাছের নিচে একজন মানুষের (মাংস ও চামড়া বিহীন কঙ্কালাসার ও হাড়গুড় ) মৃত দেহ পড়ে রয়েছে ৷

সংবাদ পেয়ে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দিক নির্দেশনায় বিশ্বনাথ থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে কঙ্কালটি যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করেন। ঘটনাস্থলের চারপাশ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে ঘটনাস্থল হতে একটি জ্যাকেট, এক জোড়া স্যান্ডেল এবং একটি কোমড়ে বাধা কাপড়ের ব্যাগের মধ্যে অন্যান্য কাগজের সাথে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করেন।

এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে কঙ্কালটি সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানার পুরান সৎপুর গ্রামের আশ্বদ আলী ও মোছা. নেছা বিবির দম্পতির ছেলে মোঃ সেবুল মিয়া বলে জানা যায় ৷

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানানো হলে মৃত মো. সেবুল মিয়ার ভাগিনা ছয়ফুল (৩৩) ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা স্যান্ডেল, জ্যাকেট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে মৃত দেহটি মো. সেবুল মিয়ার বলে সনাক্ত করে।

মৃতের ভাগিনা ছয়ফুল এবং একমাত্র বড়ভাই ফারুক মিয়া সহ স্থানীয় লোকজন জানান, মো. সেবুল মিয়া অনেকটা মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন এবং নেশাগ্রস্থ ছিল। সে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন স্থানে নিরুদ্দেশ হয়ে যেত। অনুমান ০২ মাস পূর্বে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর থেকে সে আরও মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে এলাকায় আর তাকে দেখা যায়নি।

অপরদিকে সিআইডি,পিবিআই, ক্রাইম সিন টিম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগর সার্কেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিশ্বনাথ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহপরান মোল্লা মৃত দেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য উদ্ধার কৃত মৃত দেহ প্রেরণ এবং ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। বিষয়টি অন্য কোন রহস্য আছে কিনা অনুসন্ধানের জন্য বিশ্বনাথ থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে।

মৃতদেহ (কঙ্কাল) উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট জেলা পুলিশের সহকারি মিডিয়া ফোকালপয়েন্ট কর্মকর্তা শ্যামল বনিক ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version