নোটিশ:
জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা । আপনাদের আশে পাশে ঘটে যাওয়া সংবাদটি আমাদের জানান । আমরা সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর পোস্ট করবো ।
শান্তিগঞ্জের জামখলা হাওরের বাঁচাডুবি বেরিবাঁধের নিচ দিকে পাইপ দিয়ে হাওরে ডুকছে পানি! কৃষকের আহাজারী

শান্তিগঞ্জের জামখলা হাওরের বাঁচাডুবি বেরিবাঁধের নিচ দিকে পাইপ দিয়ে হাওরে ডুকছে পানি! কৃষকের আহাজারী

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির চাপ বাড়ায় ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ হাওরেরর ফসল রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশে ধ্বস ও ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার দরগাপাশা ও পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ধরমপুর গ্রাম সংলগ্ন জামখলা হাওরের বাঁচাডুবি বাঁধের নিচ দিক পাইপ দিয়ে বিগত দুই দিন যাবৎ হাওরে পানি প্রবেশ করছে। এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাঁধে রাতদিন কাজ চললেও বাঁচাডুবির জলমহাল ইজারাদার কর্তৃক বাঁধের নিচে রেখে দেওয়া পাইপ দিয়ে হাওরে পানি ডুকছে তা কোনভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। জামখলা হাওর পাড়ের একাধিক কৃষক জানান যদি এই পানি বন্ধ করা না যায় তাহলে যেকোন সময় বাঁধ ধসে হাওরের তলিয়ে যেথে পারে।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সলফ গ্রামের আব্দুল গফফার বলেন,আমরা ৬০ জন শ্রমিক ২ দিন যাবৎ দিয়ে ও এলাকার লোকজন স্বেচ্ছায় কাজ করলেও পাইপের পানি বন্ধ করা যাচ্ছে না। এভাবে পাইপ দিয়ে পানি ডুকলে যেকোন সময় বাঁধ ধসে যেথে পারে। তাই এলাকাবাসী বিল ইজারাদার সহ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আরও বাঁশ বস্তা ও শ্রমিক নিয়োগ করা প্রয়োজন।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা র্নিবাহী র্কমর্কতা (ইউএনও) আনোয়ার উজ জামান বলেন,আমি গতকাল এই বাঁধে গিয়েছি ৫ শত বস্তা সরবরাহ করেছি এই বাঁধের জন্য আজ লোক পাঠিয়েছি। হাওরের প্রত্যেকটি বেড়িবাঁধ রক্ষায় র্সবোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক আহমদ জানাব, ইতিমধ্যে আমি এই বাঁধে গিয়েছি। উপজেলার প্রত্যেকটি বাঁধ রক্ষায় যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা করব ৷

প্লিজ সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Mission It Development ltd.
x
English version