
ফেঞ্চুগঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অফিসকক্ষ হইতে চুরিকৃত কম্পিউটারের ১০টি মনিটর, ১টি সিপিইউ এবং ১টি স্ক্যানার উদ্ধার সহ ৬ চোর গ্রেফতার।
১৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর অনুমান ১টা হতে ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল অনুমান ৩টার মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ থানাধীন ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের মনুরটোক গ্রামের ফেঞ্চুগঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অফিস কক্ষ হতে ১১টি মনিটর, ১টি সিপিইউ ও ১টি স্ক্যানার ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্র। ২৯ এপ্রিল শনিবার বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ অধ্যক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় ৪৬১/৩৮০ পেনাল কোড ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস আই আশরাফুল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের এবং স্থানীয় জনতার সহায়তায় ঘটনার সহিত জড়িত ফেঞ্চুগঞ্জ থানাধীন ফেরীঘাট নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চুরির ঘটনায় জড়িত ২ জনকে আটক করা হয়। তারা হল ফেঞ্চুগঞ্জ থানার নুরপুর গ্রামের মো. হারিস আলীর ছেলে মো. ইমন আলী (২২), সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার মহদী গ্রামের শুভাস দেবনাথের ছেলে শুভ দেবনাথ (২৮)। গ্রেফতারকৃত দুইজন চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করে এবং অন্যান্য জড়িতদের নাম প্রকাশ করে। পরে পুলিশ তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে ধৃত আসামী ইমনের বসতবাড়ি হতে চোরাইকৃত স্ক্যানার উদ্ধার করে পুলিশ।
পরবর্তীতে ধৃত আসামী সহ অন্যান্য চোরাই মালামাল উদ্ধার এবং জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করতে ফেঞ্চুগঞ্জ থানাসহ সিলেট বন্দর বাজার করিম উল্লাহ মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি মনিটর, ১টি সিপিইউ উদ্ধার করে। এছাড়া একই সময়ে চুরির সাথে জড়িত অপর আসামী ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ইলাশপুর গ্রামের এলাইছ মিয়ার ছেলে রায়হান আহম্মদ (২১), নুরপুর গ্রামের সুরুক মিয়ার ছেলে মামুনুর রশীদ (২৬), নোয়াগাও গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে আলী আহমদ (৩০), শাহপরান থানার কল্যাণপুর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে মো. নাইম আহম্মেদ জুবের (২৯) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য পুলিশের হাতে আটককৃতর পেশাচার চোর হিসেবে চিহ্নিত। তারা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ একাধিক অপরাধের সাথে জড়িত আছে বলিয়া এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে।
আটককৃতদের চুরির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেন সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা শ্যামল বনিক।


