//

আগাম জাতের আমন ধানে দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা

10 mins read

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। বন্যা প্রাকৃতিক দুর্যোগমুক্ত আমনের ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে ভালো দাম থাকায় কৃষকরাও খুশি।

এদিকে ধানের খড়ের দামও অনেক বেশি। তাই বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। আগাম জাতের ধান আবাদ করে উক্ত জমিতে আগাম জাতের আলু মৌসুমি রবিশস্য আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন কৃষকেরা।

বুধবার ( অক্টোবর) সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

উপজেলার বলরামপুর গ্রামের কৃষক উমর আলী জানান, তিনি একর জমিতে কোঠরাপাড়ি জাতের ধান লাগিয়েছিলেন। ফলনও পেয়েছেন ৭০ মন। প্রতি মন বিক্রি করেছেন হাজার টাকা মণ দরে। তাছাড়া ধানের পাশাপাশি খড় বিক্রি করে দাম পেয়েছেন অনেক বেশি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আমন ধান চাষ করা হয়েছে। তার মধ্যে হাইব্রিড জাতের ৪১৫ হেক্টর। উপসি জাতের ৬৫০ হেক্টর জমিতে বিনা ধান ১৬ ১৭ ব্রিধান ৭৫, ৮৭ কটরাপারিধান চাষ করা হয়েছে।

মুকুন্দপুর গ্রামের কৃষক ললিত চন্দ্র রায় জানান, তিনি এবার একর জমিতে আগাম জাতের ধান আবাদ করে বেশ ভালো ফলন পেয়েছেন। বর্তমানে সেই জমিতে তিনি আগাম জাতের আলু চাষ করে পরবর্তীতে একই জমিতে ভুট্টা চাষ করবেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকতা আবু জাফর মো. সাদেক জানান, আগাম জাতের বিনাধান ১৬, ১৭ব্রিধান ৭৫, ৮৭ কোটরাপারি জাতের ধান ইতিমধ্যে কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকেরা দাম ভালো পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর কাহারোল উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে আমন চাষিদের পরামর্শ দিয়ে এবং আগাম জাতের আলু, ভুট্টা, সরিষা শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য উৎসাহিত করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version