
কয়েকদিনের মধ্যেই দূতাবাস খুলবে সৌদি আরব ও ইরান
সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের উন্নতি হতে শুরু করেছে। দুই দেশ জানিয়েছে, তারা কয়েক দিনের মধ্যে একে অপরের রাজধানীতে দূতাবাস পুনরায় চালু করবে। আল–জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত বছর আগে দুই দেশ একে অপরের দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদুল্লাহিয়ান দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে কথা বলার সময় দুই দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে সংবাদ সম্মেলনে দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে আমির-আবদুল্লাহিয়ান কথা বলেন। তবে দূতাবাস পুনরায় খোলার নির্ধারিত সময় উল্লেখ করেননি তিনি। ২০১৬ সালে দুই দেশের দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সাত বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে, গত মাসের শুরুতে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দুই দেশের বৈঠকের পর ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং দূতাবাস পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়।
আমির-আবদুল্লাহিয়ান বলেন, ‘ঈদুল ফিতরে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার টেলিফোনে কথা হয়েছে। আমরা আগামী দিনে তেহরান ও রিয়াদে সৌদি আরব ও ইরানের দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে কাজ করতে সম্মত হয়েছি।’
২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের হস্তক্ষেপের পর রিয়াদ সমর্থিত সরকার ইরান সমর্থিত হুতিদের হাতে চলে যায়। এরপর থেকে রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুতিরা। এরপর থেকে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়।
দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বৃহত্তর সংঘাতের সৃষ্টি করেছে। আমির-আবদুল্লাহিয়ান লেবানন সফরকালে এসব বিষয়ে কথা বলেন। তিনি হিজবুল্লাহ নেতা সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহসহ লেবাননের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ‘অদূর ভবিষ্যতে’ সিরিয়া সফর করবেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।


