
জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চালু হতে যাচ্ছে মুক্ত বাজার। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার সকাল ৯ টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত নিয়মিত থাকবে এই বাজার। ঐতিহাসিক জৈন্তেশ্বরী বাড়ী প্রাঙ্গণে বসা এই মুক্ত বাজারে কোন মধ্যসত্ত্বভোগীর সাহায্য ছাড়াই পন্য বিক্রির সুযোগ পাবে বিক্রেতারা।
“নিজের পন্য নিজে বিক্রি করুণ” এই সংলাপকে প্রধান্য দিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, খামারী, পরিবারিক খামার, ক্ষুদ্র বাগানের মালিককেরা তাদের উৎপাদিত পন্য এই বাজারে সরাসরি বিক্রির সুযোগ পাবেন। তাছাড়া ক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে থাকবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্হা।
জৈন্তাপুর মুক্ত বাজারের স্বপ্নদ্রোষ্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালিক রুমাইয়া বলেন, বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে মুক্ত বাজার চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন এতে করে মধ্যসত্ত্বভোগীদের হাত থেকে বাজার যেমন রক্ষা পাবে তাতে ক্রেতারা সুলভমুল্যে খাঁটি পন্যটি ক্রয় করতে পারবেন।
আরও বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি ও প্রানী সম্পদের অপার সম্ভাবনার একটি জায়গা। তাছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা যায় সম্প্রতি সময়ে অনেক কৃষক বিদেশি সবজি চাষাবাদ করছেন। তাছাড়া সারাদেশে জৈন্তাপুর উপজেলার বিশেষ কিছু পন্যের সমাদর রয়েছে যেমন জারা লেবু সহ লেবু জাতীয় বিভিন্ন ফসল। ক্রেতাদের পাশাপাশি মুক্ত বাজারকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের সামনে জনপ্রিয় করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। যার ফলে জৈন্তাপুর ঐতিহাসিক স্হাপনার আশপাশে এই মুক্ত বাজারকে স্হান দেয়া হয়েছে।
শুধুমাত্র কৃষি কিংবা খাদ্যপন্যই মুক্ত বাজারে বিক্রির প্রধান উপকরণ হবে না। বরং উপজেলার অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তাদের বানানো হস্তশিল্প, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর হাতে তৈরী বিভিন্ন পন্য মুক্ত বাজারে বিক্রি উদ্দেশ্য আনতে পারবেন। এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মুক্ত বাজার বিষয়ে সাধারণ মানুষ অর্থাৎ ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের মাঝে বার্তা পৌঁছে দিতে উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের আহবান জানিয়েছেন তিনি।


