

ছয়টি আসনে উপনির্বাচন, চলতি সপ্তাহেই তপশিলের চিন্তা বিএনপির সংসদ সদস্যদের (এমপি) পদত্যাগ করার কারণে শূন্য হওয়া আসন গুলোতে নির্বাচন করার জন্য ৯০ দিন অপেক্ষা করবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি সপ্তাহে তপশিল ঘোষণার পরিকল্পনা করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ইতিমধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে শূন্য হওয়া ছয় আসনের গেজেট পেয়েছে ইসি সচিবালয়। তপশিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে।
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ করা আসন শূন্য ঘোষণার গেজেট নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পেয়েছে বলে জানিয়েছে। পরবর্তী প্রসিডিউর হচ্ছে আমরা সভায় বসব। বৈঠকে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেব যে কবে নির্বাচন হবে, তার শিডিউল ঘোষণা করা হবে।
আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার নিয়ম এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ম্যাক্সিমাম ৯০ দিন। তপশিল আমরা খুব তাড়াতাড়িই দেব ইনশাআল্লাহ। যেহেতু ৯০ দিনের মধ্যেই করতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং আরেক জন নির্বাচন কমিশনার ঢাকার বাইরে আছেন। মঙ্গলবার থাকবেন। বৃহস্পতিবার অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে হয়তো বসব। মিনিমাম সময় যেটা দিতে হয় সেটি দিয়ে আমরা হয়তো দিয়ে দেব। আমরা ৯০ দিন অপেক্ষা করব না। যেহেতু পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন এক বছরের একটু বেশি সময় আছে। ঐ হিসেবে ৯০ দিনের আগেই দিয়ে দেব।
যেহেতু সামনে জাতীয় নির্বাচন, তাই এই নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন অপেক্ষা করবেন না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব নির্বাচনই ৯০ দিনের মধ্যে করতে হয়। কিন্তু মিনিমাম একটা সময় দিতে হয়। কারণ নোমিনেশন জমা দেওয়ার সময় আছে, বাছাইয়ের সময় থাকে, প্রত্যাহারের সময় থাকে, প্রচারণার সময় থাকে। এজন্য ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় দিতে হয়। এই সময়টা দিয়ে তারিখ ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা হয়তো অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসব। সেখানে হয়তো সিদ্ধান্ত হতে পারে বা নথির মাধ্যমে ফাইল পুটআপ করে হতে পারে। তাহলে আর পরবর্তী মিটিংয়ের প্রয়োজন হবে না।
জাতীয় নির্বাচনের আগেই ছয় জন সংসদ সদস্যের পদত্যাগ বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, আমরা কোনো প্রেশার অনুভব করছি না। আমাদের হলো রেফারির কাজ। আমরা মাঠ প্রস্তুত রাখব, গ্যালারি প্রস্তুত রাখব। সবকিছু প্রস্তুত রাখব, প্লেয়াররা খেলতে আসবেন।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠে আসার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব কিন্তু যারা এটির আয়োজন করে তাদের। সরকার ও রাজনীতিবিদদের। এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কোনো ভূমিকা নেই। আমরা মাঠ তৈরি করব, গ্যালারি তৈরি করব।


