//

শাবিপ্রবিতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠান শুরু

17 mins read

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ৷

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিডিও বার্তায় পররাষ্টমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও অপ্রত্যাশিত বৈশ্বিক দূযোর্গের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। যা আমাদের দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বড় এক চ্যালেঞ্জ। এজন্য আমাদের এমন ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন যারা প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলায় এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। যা দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ডিজাইন এবং স্থাপনা নির্মাণ করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

শাবিপ্রবির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ শাবিপ্রবি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ দেশের চাহিদার আলোকে দক্ষ ও কর্মঠ ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বিভাগের গ্রাজুয়েটরা বাংলাদেশের মেগাপ্রকল্পসহ বৈশ্বিক উন্নয়নে তাদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। শুনেছি এই বিভাগ এক্সিড-২০২৩ নামক একটি ন্যাশনাল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আশাকরি তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শামীম জেড. বোসুনিয়া উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করার একটাই উদ্দেশ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া।দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রুপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গ্রাজুয়েটরা। সেজন্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে নিজেদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমরা তোমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, কারণ মনুষ্যত্ব না থাকলে অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগানো যাবে না।

এছাড়াও পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. ইমরান কবীর, অধ্যাপক ড. বিজিত কুমার বণিক, অধ্যাপক ড. মো. বশিরুল হক, অধ্যাপক ড. গোলাম মো. মুন্না, সহযোগী অধ্যাপক ড. আহমেদ হাসান নুরীসহ বিভাগের সকল শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version