//

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে এক বাগানে ফসলাদি লুটপাট

12 mins read

শ্রীমঙ্গল দিলবর নগর এলাকায় এক বাগানে লেবু,আনারস লুটপাট ও গাছ কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন বাগান মালিক উপজেলার শাহীবাগ এলাকার মৃত দিলবর মিয়ার এর ছেলে মো.আনোয়ার হোসেন (৪৪)।

তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১১মার্চ সোমবার রাত ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দিলবর নগর এলাকায় তার লেবু ও আনারস বাগানে ওই এলাকার মৃত লক্ষীরাম দেববর্মা এর ছেলে নরেশ দেববর্মা (৬২) এর নেতৃত্বে তার ছেলে সুমন দেব বর্মা (৪০) ও শিমুল দেব বর্মা (৩৮),হরিমন এর ছেলে রাজেশ দেব বর্মাসহ অজ্ঞাত নামা আরও ৩০/৩৫ জন লোকজন রাতের আধারে তার বাগানে দেশীয় অস্ত্র-শস্্র নিয়া বে-আইনিভাবে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসীরা তার বাগানের পাহারাদারদের হাত-পা বেঁধে ফেলে,তাদের নিকট থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে যায়। তারা ওই সময়ে বাগানের ৫০ টি লাগানো সুপারি ও লেবু গাছ কেটে ফেলে। এসময় সন্ত্রাসীরা বাগান থেকে লেবু ও আনারস লুটপাট করে নিয়ে যায়। তারা তার মোট ৪ লক্ষ টাকার ফসল ও ২ লক্ষ টাকার সম্পদের ক্ষতি সাধন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন,নরেশ দেব বর্মা গং তাকে ও তার পাহারাদারকে প্রাণে হত্যার হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। তাদের ভয়ে তিনি বাগানে যেতে পারছেন না। তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করে নাই বলে জানান। তিনি বলেন,নরেশ দেব বর্মা গং তার বাগানের মালিকানা রাস্তা ও বাগানের জায়গা দখলের পায়তারা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন তার মরহুম পিতা দিলবর মিয়া ও তার বড় ভাই মরহুম মোস্তাক আহমদ মনা জীবিত থাকাকালীন সময়ে শ্রীমঙ্গল শাহী ঈদগাহে জায়গা দান,মসজিদ,মাদ্রাসা নির্মাণ ও রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচলের জন্য জায়গা সম্পত্তি দান করে গেছেন। তার মরহুম পিতার নামে দিলবর নগর এলাকার নামকরণ করা হয়েছে “দিলবর নগর”।

তিনি নিরীহ মানুষ,সব শ্রেণী ও পেশার মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। কাহারো সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদ নেই। এ ব্যাপারে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার সহযোগিতা চান।

এ ব্যাপারে নরেশ দেবমর্বা ঘটনার সাথে নিজে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান ঘটনার তদন্ত চলছে,তদন্ত শেষ হওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version