

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বিহীন কানাইঘাট-দরবস্ত সড়ক কাদা পানিতে একাকার হয়ে যাওয়ায় চরম জনদূভোর্গের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সড়কের বড় বড় গর্তে গত দুইদিনের বৃষ্টির পানি জমার কারণে যানবাহন চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে কোন সময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিগত দু’দফা বন্যায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ার পর বড় বড় গর্ত ভরাট সংস্কার করা সড়কে পিস ডালাই দিয়ে অনেক মেরামত করা হলেও কাজের কাজ কিছু হয় নাই। এতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও প্রশাসন পাড়ায় সেবা নিতে আসা লোকজন জনদূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সড়কটি জুড়ে ব্যাপক ভাঙ্গন ও পিস উঠে গিয়ে বেহাল অবস্থা দেখা দিলে সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ কয়েকদফায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে করে স্কুটুনির মাধ্যমে ইটের খোয়া, ইট, বালু, অব্যবহৃত পাকা দেওয়ালের অংশ ফেলে বড় বড় ভাঙ্গনের সংস্কারের কাজ করলেও তাহা কোন কাজে লাগেনি। স্কুটুনির কাজের টাকার ব্যপক লুটপাট হওয়ার কারনে সংস্কারের কয়েকদিন পর পরই আবারও সড়কটি বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটির অধিকাংশ অংশ জুড়ে ধুলা-বালুতে পরিণত হয়। দু’দিনের হাল্কা বৃষ্টির পর ধুলা-বালু কাদাযুক্ত হয়ে আবারো বড় বড় গভীর গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। যার কারনে যে কোন সময় গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মারাত্মক দূর্ঘটনা সহ অনুপযোগী হয়ে পড়বে। সড়কের বেহাল অবস্থায় বিরাজ করায় এবং দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় জনসাধারনের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। কানাইঘাটবাসী দ্রুত সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করার দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কানাইঘাট-চতুল সড়কের সংস্কার কাজ এবং চতুল ঈদগাহ বাজার ও কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুত মোড় থেকে পোস্ট অফিস পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ আরসিসি ডালাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু হবে।
এদিকে চতুল কানাইঘাট- শাহবাগ রাস্তার কানাইঘাট পল্লীবিদ্যুৎ সাবস্টেশন থেকে উপজেলা হাসপাতাল হয়ে কানাইঘাট থানার সম্মুখ পর্যন্ত রাস্তাটুকু জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের জন্য সিলেট-০৫, (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ আহমদ মজুমদার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে একটি ডিও লেটার গত ২৬ ফেব্রুয়ারী পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মস্তাক আহমদ পলাশ।


