
সিলেট ওসমানীনগর থানা পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ জাকির গ্রেফতার করছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ এপ্রিল) ওসমানীনগর থানাধীন মোল্লাপাড়া (চেবারপাড়া) এলাকার জনৈক জালাল উদ্দিন তার বর্গা চাষকৃত জমি হতে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটার সময় দুপুর অনুমান সাড়ে ১২টায় গ্রেফতারকৃত জাকির আহমদ তার হেফাজতে থাকা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে জালাল উদ্দিনকে ধান কাটার কাজে বাধা দেয়।

জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া প্রতিবাদ করায় গ্রেফতারকৃত জাকির তার অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়াকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। স্থানীয়দের মনে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
সংবাদ পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশের আভিযানিক দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওসমানীনগর থানার মোল্লাপাড়া (চেবার পাড়া) গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে জাকির আহমদ (৩৪) কে তার বসত ঘর হতে গ্রেফতার এবং গ্রেফতার পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের তার দেওয়া তথ্যমতে বসতঘরের ভিতরে টয়লেটের ফলস্ ছাদের উপর হতে একটি পুরাতন কালো, নীল ও ছাই রঙের সুতির লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো ১টি দেশীয় তৈরী কাঠের বাটযুক্ত সচল ওয়ান শুটার পাইপগান, ১টি দেশীয় তৈরী কাটের বাটযুক্ত সচল পাইপগান, ৬রাউন্ড লাল রঙের তাজা কার্তুজ, ১টি সবুজ রঙ্গের কার্তুজের খালি খোসা, ১টি লাল রঙ্গের মকমল কাপড় দ্বারা তৈরী গুলি রাখার খালি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় গ্রেফতারকৃত আসামী জাকির আহমদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত হত্যাচেষ্টাসহ দুইটি মামলা রয়েছে।
অপরদিকে গুলিবৃদ্ধ জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে নাইম মিয়া বর্তমানে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ জাকির গ্রেফতার বিষয়টি জানান সিলেটের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীর দখল হতে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের উৎস এবং সরবরাহ দাতাকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রেস কন্সফারেন্সে বলা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


