

দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রুপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করার একটাই উদ্দেশ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কারিগর হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গ্রাজুয়েটরা বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ে পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের রজতজয়ন্তী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন উপাচার্য।
উপাচার্য বলেন, সরকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করার একটাই উদ্দেশ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া।দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রুপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গ্রাজুয়েটরা।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা ২০২০ সালে বেস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পাস আওয়ার্ড পেয়েছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অবারিত সুযোগ সুবিধা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সে সুযোগ গুলোকে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে নিজেদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমরা তোমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, কারণ মনুষ্যত্ব না থাকলে অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগানো যাবে না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্টমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ শাবিপ্রবি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ দেশের চাহিদার আলোকে দক্ষ ও কর্মঠ ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বিভাগের গ্রাজুয়েটরা বাংলাদেশের মেগাপ্রকল্পসহ বৈশ্বিক উন্নয়নে তাদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। শুনেছি এই বিভাগ এক্সিড-২০২৩ নামক একটি ন্যাশনাল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আশাকরি তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফলিতনবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শামীম জেড. বোসুনিয়া এবং পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের সকল শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


