///

গান, নাচ ও আবৃত্তিতে কুড়িগ্রামে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্‌যাপন

9 mins read

গান, নাচ ও আবৃত্তিতে কুড়িগ্রামে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্‌যাপন

‘হে নূতন, দেখা দিক আরবার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ’—রবীন্দ্রসংগীতের সুরে শুরু হয় আয়োজন। এরপর একে একে পরিবেশিত হয় ‘আলোকের এই ঝরনা ধারায়’, ‘তোমার খোলা হাওয়া’সহ নানা রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি। গান, কবিতা আর সাংস্কৃতিক আবহে কুড়িগ্রামে উদ্‌যাপিত হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর–এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে শহরের আই লাভ কুড়িগ্রাম চত্বর–এ অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সাংস্কৃতিককর্মী, সাহিত্যপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো চত্বর।

সাংস্কৃতিক পর্বে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত। পাশাপাশি ছিল নৃত্য ও আবৃত্তি। রবীন্দ্রচর্চার মধ্য দিয়ে বাঙালির সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরার আহ্বান জানান বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত এ-খুদা।

আলোচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, জেলার কবি-সাহিত্যিক ও রবীন্দ্রপ্রেমীরা।

সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, “শিল্প ও সাহিত্যচর্চা বাড়লে সমাজে অপশক্তির উত্থান কমে আসে।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএম কুদরত এ-খুদা বলেন, “রবীন্দ্রনাথ চর্চা তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও সংস্কৃতিমনা করে তুলবে। এতে বিপথগামিতাও কমবে।”

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি ও আবৃত্তিকার রফিকুল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Latest from Blog

English version